রক্তকরবী'র গল্প
বছরের কোনো দিনে, কোনো মাসে বা কোনো বিশেষ সময়ে কারো কারো মনে ফুটে থাকা রক্তকরবীর রং গাঢ় হয়ে ওঠে। রক্তের মত লাল পাপড়িগুলো হয়ে ওঠে তাজা - যেন সদ্য ফুটেছে সে, জীবন্ত হয়ে ওঠে তার উপস্থিতি। তার নরম, লাল পাপড়িগুলোর পেলবতার সাথে মিশে থাকে ছোট ছোট কাঁটা - রক্তক্ষরণে দক্ষ তারা। এ গল্পের স্থান-কাল-পাত্র বদলে বদলে যায় - শুধু বদলায় না সেই মনগুলো যে মনে রক্তকরবী ফোটে। মনের মালিক বদলালেও একই ধরণের জল, মাটি, হাওয়া পেয়ে তৈরী হয় অন্দরমহলের সেই বাগান যেখানে এ ফুল ফোটে। সবার মনে ফোটে না এ ফুল, এর মালিকই শুধু অনু্ভব করতে পারে এর তীব্র উপস্থিতি - একে অন্য কেউ দেখতে পায় না। তবু কখনো কখনো রক্তকরবীকে একান্ত করে পেয়েও কিছু মন তাকে দেখাতে চায় অন্যকে, বলতে চায় এ ফুল ফোটার গল্প। বোধ হয় তারা খুঁজে ফেরে সেই হারিয়ে যাওয়া সময়কে এবং সময়ের হাত ধরে অতীত-পরিচিত কোনো মানুষকে। সেই মানুষটি কি সে নিজেই যে হারিয়ে গিয়েছে সময়ের গর্ভে? নাকি অন্য কেউ যে ফিরিয়ে দিতে পারবে সেই সময়কে??
No comments:
Post a Comment