Saturday, January 28, 2012
Thursday, January 26, 2012
"A Light exists in Spring
Not present on the Year
At any other period —
When March is scarcely here,
A Color stands abroad
On Solitary Fields
That Science cannot overtake
But Human Nature feels.
It waits upon the Lawn,
It shows the furthest Tree
Upon the furthest Slope you know
It almost speaks to you.
Then as Horizons step
Or Noons report away
Without the Formula of sound
It passes and we stay —
A quality of loss
Affecting our Content
As Trade had suddenly encroached
Upon a Sacrament."
Not present on the Year
At any other period —
When March is scarcely here,
A Color stands abroad
On Solitary Fields
That Science cannot overtake
But Human Nature feels.
It waits upon the Lawn,
It shows the furthest Tree
Upon the furthest Slope you know
It almost speaks to you.
Then as Horizons step
Or Noons report away
Without the Formula of sound
It passes and we stay —
A quality of loss
Affecting our Content
As Trade had suddenly encroached
Upon a Sacrament."
Emily Dickinson
রক্তকরবী'র গল্প
বছরের কোনো দিনে, কোনো মাসে বা কোনো বিশেষ সময়ে কারো কারো মনে ফুটে থাকা রক্তকরবীর রং গাঢ় হয়ে ওঠে। রক্তের মত লাল পাপড়িগুলো হয়ে ওঠে তাজা - যেন সদ্য ফুটেছে সে, জীবন্ত হয়ে ওঠে তার উপস্থিতি। তার নরম, লাল পাপড়িগুলোর পেলবতার সাথে মিশে থাকে ছোট ছোট কাঁটা - রক্তক্ষরণে দক্ষ তারা। এ গল্পের স্থান-কাল-পাত্র বদলে বদলে যায় - শুধু বদলায় না সেই মনগুলো যে মনে রক্তকরবী ফোটে। মনের মালিক বদলালেও একই ধরণের জল, মাটি, হাওয়া পেয়ে তৈরী হয় অন্দরমহলের সেই বাগান যেখানে এ ফুল ফোটে। সবার মনে ফোটে না এ ফুল, এর মালিকই শুধু অনু্ভব করতে পারে এর তীব্র উপস্থিতি - একে অন্য কেউ দেখতে পায় না। তবু কখনো কখনো রক্তকরবীকে একান্ত করে পেয়েও কিছু মন তাকে দেখাতে চায় অন্যকে, বলতে চায় এ ফুল ফোটার গল্প। বোধ হয় তারা খুঁজে ফেরে সেই হারিয়ে যাওয়া সময়কে এবং সময়ের হাত ধরে অতীত-পরিচিত কোনো মানুষকে। সেই মানুষটি কি সে নিজেই যে হারিয়ে গিয়েছে সময়ের গর্ভে? নাকি অন্য কেউ যে ফিরিয়ে দিতে পারবে সেই সময়কে??
Saturday, January 21, 2012
Friday, January 20, 2012
বেঁধে রেখো
এসো বন্ধু আজ আরো শক্তিশালী হই
বিশ্বাস, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব
লুকিয়ে যাক আজ বুকের গভীরে,
নীল যন্ত্রণাগুলো হাঁপিয়ে ওঠে পাঁজরে
বেঁধে রেখো পরিপাটী করে ওদের
বেরোতে না পারে -
উন্মত্ত অসভ্যরা ঘুরে বেড়াচ্ছে
দুমড়ে মুচড়ে পায়ে মাড়িয়ে
শেষ করে দেবে ওরা;
শুধু রাতের নির্জনতায় বিশ্রামের সময়ে
ও বাঁধন আলগা করে দিও হাঁফ ছেড়ে বাঁচুক ওরা ওই সময়।।
৫ই জানুয়ারী, ২০১২
Thursday, January 19, 2012
সময়টা
সময়টা উপবাসী, তৃষ্ণার্ত
দূরে রুপোলী নৌকার স্নিগ্ধ আলো
নিয়ে যায় অতীতের এক সন্ধ্যায় -
আধো অন্ধকারে জলের ধারে মিলিত নি:শ্বাস
সুখ-স্পর্শের আবেশ ছড়িয়ে পড়ে অতীন্দ্রিয়তায়
সোনালী ফ্রেমের সে ছবি আজো অমলিন,
সর্পিণীর বিষাক্ত ছোবল ও ছুঁতে পারে না তাকে
সদ্য নখ-দাঁত গজানো ছুটে আসা নেকড়ে
গর্জন করতে থাকে নিস্ফল আক্রোশে;
বসন্তের সুগন্ধ দিয়ে তৈরী সেতু বেয়ে
মন ছুটে চলে ছোঁবে বলে
আর এক একাকী মনকে।।
২৬শে ডিসেম্বর, ২০১১
Subscribe to:
Posts (Atom)
